সাবেক চেয়ারম্যান আহমাদ হোসেনের বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর।


admin প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ন / ০ Views
সাবেক চেয়ারম্যান আহমাদ হোসেনের বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর।

স্টাফ রিপোর্টার: নবিউল ইসলাম।

ঢাকার ধামরাই উপজেলার রামরাবন এলাকায় সাবেক চেয়ারম্যান আহমাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অন্যের জমি জবরদখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আহমাদ হোসেনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত বিমল চন্দ্র মনি দাস ও মইনা ওরফে কীর্তন মনি দাসের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল গত ৩ মার্চ ২০২৬ রাতে এলাকায় গিয়ে তিনটি টিনের ছাপড়া ঘর ভাঙচুর করে নিয়ে যায়।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাটি ধামরাই থানাধীন রামরাবন মৌজায় ঘটে। স্থানীয়ভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা নিয়ে নদের চান ওরফে বাদার চান ঋষি, পিতা দিলীপ কুমার দাস সেতু গং এবং নিমাই চাঁদ ঋষি, পিতা গোলক চন্দ্র মনি দাস গংয়ের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। জমিটি আরএস খতিয়ান নং ৪৮১, ৮৩৬ ও ৮২০-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় দিলীপ কুমার দাস সেতু বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেছেন বলে জানা গেছে। আদালতের নির্দেশে ধামরাই থানাকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও সম্ভাব্য সাক্ষীদের কেউ কেউ ভয়ভীতির কারণে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে চাইছেন না। তাদের দাবি, ঘটনার সময় উপস্থিত কয়েকজনকে সাক্ষ্য না দেওয়ার জন্য বাধা দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনাও ঘটে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সাবেক চেয়ারম্যান আহমাদ হোসেনের প্রভাবের কারণে জমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে অনেকে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাননি। অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে গেলে ভয়ভীতি প্রদর্শনের আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।

এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট জমির প্রকৃত মালিকানা, বসতবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত—এসব বিষয় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করা হোক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।