
স্টাফ রিপোর্টার
মো: নবীউল ইসলাম।
আব্দুল্লাহ আল নোমান, সাভার (ঢাকা) প্রতিবেদক:
ঢাকার সাভারে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবুল ওরফে কানা বাবুলের (৫৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে সাভারের দিলকুশাবাগ এলাকার নিজ বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান কানা বাবুল। বুধবার সন্ধ্যার পর তিনি নিজ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেন। রাত প্রায় ১১টার দিকে প্রতিবেশীরা কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, কানা বাবুলের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কানা বাবুলের বিরুদ্ধে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার রাজ্জাক প্লাজার এক নাইটগার্ড হত্যা মামলাসহ একাধিক হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকসংক্রান্ত ডজনখানেক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত আছে।সাভারের শীর্ষ সন্ত্রাসী কানা বাবুলের মরদেহ উদ্ধার
আব্দুল্লাহ আল নোমান, সাভার (ঢাকা) প্রতিবেদক:
ঢাকার সাভারে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবুল ওরফে কানা বাবুলের (৫৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে সাভারের দিলকুশাবাগ এলাকার নিজ বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান কানা বাবুল। বুধবার সন্ধ্যার পর তিনি নিজ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেন। রাত প্রায় ১১টার দিকে প্রতিবেশীরা কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, কানা বাবুলের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কানা বাবুলের বিরুদ্ধে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার রাজ্জাক প্লাজার এক নাইটগার্ড হত্যা মামলাসহ একাধিক হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকসংক্রান্ত ডজনখানেক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত আছে।
আপনার মতামত লিখুন :